সহকারী অফিসার (প্রাইভেট ব্যাংক) থেকে সহকারী পরিচালক( বাংলাদেশ ব্যাংক) হয়ে উঠার গল্প।

সবার আগে আপডেট পেতে পেইজে লাইক দিন

২০১৪ সাল তিন বছরের সেশন জট কাটিয়ে যখন Honours Certificate হাতে পেলাম ততদিনে আমার শিক্ষক বাবা অবসরে যাবে যাবে। পূবালী ব্যাংক এ জীবনের প্রথম ভাইবায় চাকরি হয়নি। ২য় ভাইবা দিলাম IFIC Bank এ, ৩ মাস পর যখন Assistant Officer post এ যোগদানের জন্য ডাক পেলাম ততদিনে বাবা অবসরে, Masters Exam বাকী কি করব বুঝে উঠতে পারছি না। সবাই বলল এই সব চাকরিতে যোগদান করলে পরে ভাল চাকরি পাওয়া কঠিন।।

পরিবারের কথা চিন্তা করে জয়েন করে ফেলি IFIC Bank এ। জয়েন করার পর কলিগদের বেশ কিছু অপমান সূচক কথায় খুব খারাপ লাগত। Public University ta pore ai post a kno?? খারাপ তখন আরও বেশি লাগত যখন মামার জোড়ে আমার উপরের পোস্টে জয়েন করা মানুষটি যখন আমার সাথে ভাব নিত।
২০১৮ বয়স শেষ, এর মধ্যে আমি ১২ টা প্রাইভেট ব্যাংকে MTO এবং ৩ টা সরকারি ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার, ৪ টা অফিসার পদে, ৩৪ ও ৩৭ তম বি সি এস, PSC এর অধীনে নবম গ্রেড এর ২ টা পোষ্টে এ ভাইবা দেই কিন্তু কোন টাতেই জব হয়নি।

এর মধ্যে বন্ধুরা অনেকেই ভাল জব পেল, সবাই বলতে লাগলো চাকরি না করে পড়তে থাকলে এতদিনে ভাল জব হত,আমি দিন দিন হতাশ হতে থাকলাম কিন্তু আশা ছাড়িনি।
২০১৯ বয়স ৩১+, এরমধ্যে রুপালী ও কৃষি ব্যাংকে জব হয় উপায়ান্তর না দেখে রুপালীতে জয়েন করি। কিন্তু নবম গ্রেডের একটা চাকরির স্বপ্ন আমি ছাড়িনি।

অবশেষে আমি তাকে পাইলাম শুধু নবম গ্রেড নয় আমার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকে স্বপ্নের পদ সহকারী পরিচালক (জেনারেল), মেরিট পজিশন ৫৪।

অনেকেই অনেক ভাল জব করে কিন্তু সবাই তার স্বপ্নের জবটা করতে পারে না সেই হিসাবে আমি সত্যিই ভাগ্যবান।

আমার এই লেখাটা সেই সব মানুষের জন্যে যারা পরিবারের সুখের জন্য নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে দিন রাত খেটে যাচ্ছেন পাশাপাশি নিজের স্বপ্ন পুরনে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
পরিশ্রম করলে উপরওয়ালা কাওকে নিরাশ করে না।
এই গ্রুপের অনেকের লেখায় আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি আমার লেখায় কেও অনুপ্রানিত হলেই আমার লেখা স্বার্থক।।
এই গ্রুপে এটাই আমার শেষ পোস্ট। ভাল থাকবেন সবাই।

আরও পড়ুন

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *