আছপিয়া যদি চাকরি পায় তাহলে আমি অনেক খুশি হবঃ ডিআইজি

বেকার জীবনবেকার জীবন
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  12:36 PM, 10 December 2021

পুলিশ কনস্টেবল পদে লিখিত মৌখিকসহ সব পরীক্ষায় পাস করেও চূড়ান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে আছে আসপিয়া ইসলাম নামে ভূমিহীন এক মেয়ের। আসপিয়ার পরিবার ভূমিহীন হওয়ায় ও তাঁর স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় আইনি জটিলতায় চাকরির সিদ্ধান্ত ঝুলে আছে।

আছপিয়া তার ‘সরল ভুল’ উতরে উঠে চাকরিটি পাবেন বলে আশা পুলিশের বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামানের। আছপিয়ার চাকরির বিষয়টি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা শুরু হলে বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে ডিআইজি নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে একটি স্ট্যাটাস দেন।

মানবতা ও বিধি-বিধান শিরোনামে ওই পোস্টে ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামান উল্লেখ করেন, আছপিয়ার চাকরি না পাওয়ার বিষয়টি দ্রুত ভাইরাল হচ্ছে ফেসবুক, নিউজ পোর্টালে। আছফিয়ার পক্ষে জোয়ার সৃষ্টি হচ্ছে। তবে যারা সরকারি চাকরির বিধান জানেন তারা আছপিয়ার পক্ষ নিতে পারছেন না। মূলত আছপিয়া বরিশালের স্থায়ী ঠিকানা প্রমাণ করতে পারছেন না। সে সরল ভুলে ভোলার পরিবর্তে বরিশালে চাকরি প্রার্থী হয়েছে। আছপিয়াকে সান্ত্বনা দেই।

বিধি মোতাবেক পুলিশ কাজ করবে। আমি বিধি মানি, কিন্তু মেয়েটির প্রতি আমার কষ্টবোধ থেকেই যায়। যারা তাকে নিয়ে ফেসবুকে ভাইরাল করছে, তাদের দোয়ায়, কাজে যদি মেয়েটি চাকরি পায় তাতে আমি অনেক খুশি হব। আর এর জন্য আমাকে যে মানসিক চাপ নিতে হচ্ছে তা সাহসে পরিণত হবে। দোয়া করি, মেয়েটির ভাগ্যে সোনার হরিণটি (চাকরি) যেন ধরা দেয়।

আছপিয়া ইসলাম কাজল বলেন, নিজের যোগ্যতায় প্রতিটি পরীক্ষায় পাস করেছি। জমি না থাকার কারণে আমার চাকরি হবে না কেন? নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হবে। আমিতো যোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে সকল পরীক্ষায় পাস করেছি। তাহলে কেন আমার চাকরি হবে না?

এদিকে, আছপিয়া ইসলাম কাজলের মা ঝরনা বেগম বলেন, অনেক কষ্ট করে মেয়েকে বড় করেছি। তার চাকরি হয়েছে, কিন্তু আমার জায়গা-জমি না থাকায় চাকরিটি নাকি হবে না। এখন প্রধানমন্ত্রীর সুনজর চাই। যে করেই হোক আমার মেয়েকে চাকরিটি দিন। আমিতো আপনার (প্রধানমন্ত্রী) দেশের নাগরিক।

 আমাদের বিসিএস গ্রুপে যোগ দিন

আপনার মতামত লিখুন :