দুই কলেজের এক অধ্যক্ষ

বেকার জীবনবেকার জীবন
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  09:46 PM, 31 July 2022

রাজশাহীর পুঠিয়া এবং দুর্গাপুর উপজেলায় একজন শিক্ষক একসঙ্গে দুইটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একসঙ্গে দুই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে গিয়ে ওই শিক্ষক ঠিকমতো কোন ক্লাস করাতে পারছেন না।

জানা গেছে, রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের সাধনপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ফিরোজ মান্নান। তার বাড়ি দুর্গাপুর উপজেলায়। তিনি সাধনপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজে ২০১৫ এর ২৯ অক্টোবরে যোগদান করেন। তিনি বর্তমানে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্কুলপর্যায়ে প্রধান শিক্ষকের বেতন-ভাতা সুবিধা ভোগ করছেন।

অপরদিকে দুর্গাপুর উপজেলার দেবীপুর বিএম কলেজেও তিনি অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত আছেন। সেই কলেজও ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে এমপিওভুক্ত হয়েছে।

একসঙ্গে দুইটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে গিয়ে ওই শিক্ষক দুই প্রতিষ্ঠানের কোনটিতে ঠিকমতো উপস্থিত এবং ক্লাস নিতে পারছেন না বলে জানান অভিভাবকরা। এছাড়া তিনি চলতি বছরে শিক্ষা সপ্তাহে দুর্গাপুরে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন।

তবে একইসঙ্গে দুইটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করার বিষয়টি জানার পরে সেইটি বাতিল করেছেন কর্তৃপক্ষ।অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মো. ফিরোজ মান্নান বলেন, একইসঙ্গে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে থাকার নিয়ম নাই। তবে আমি সাধনপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজ চাকরি করি। আর দেবীপুর বিএম কলেজ আমি প্রতিষ্ঠা করেছি। আমি শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে দুর্গাপুরে আবেদন করেছিলাম। তবে কে বা কারা অভিযোগ দেওয়ায় আমি অংশগ্রহণ করতে পরিনি। আর আমি বর্তমানে দেবীপুর কলেজের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছি।

এ বিষয়ে দুর্গাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোহা. জাহিদুল হক দৈনিক আমাদের বার্তাকে বলেন, শিক্ষক হিসেবে মো. ফিরোজ মান্নান আমাদের উপজেলায় তার বেতন হয়নি। আর হবেও না। তাই এ বিষয়ে মন্তব্য নাই। তবে দুর্গাপুরের শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের জন্য আবেদন করেছিলেন এবং নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ পাওয়ায় সেটা বাতিল হয়েছে।

পুঠিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার লায়লা আখতার জাহান আমাদের বার্তাকে বলেন, মো. ফিরোজ মান্নান আমাদের উপজেলার বেতনভুক্ত শিক্ষক। তাই তিনি অন্য কোথাও চাকরি করতে পারেন না। যদি করেন তাহলে নিয়ম বহির্ভূত কাজ করছে। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

আপনার মতামত লিখুন :