প্রাইমারীতে কোটা কখন থেকে, কিভাবে ও কত % কার্যকর হয়? জেনে নিন

বেকার জীবনবেকার জীবন
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  06:21 AM, 03 December 2020
প্রাইমারি শিক্ষক

প্রশ্নঃ প্রাইমারীতে কোটা কখন থেকে কার্যকর হয়? উত্তরঃ প্রিলিতে মানে ৮০ (mcq) নম্বরের পরীক্ষায় আপনাকে পাশ করতে হবে। প্রিলির আগে কোন কোটা ফলো হয় না। প্রিলি/রিটেন পাশ করলেই কেবলমাত্র কোটা (নারী ৬০%, পোষ্য ২০% এবং পুরুষ ২০%) অনুসরণ করা হয়ে থাকে। প্রশ্নঃ মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রতিবন্ধী কোটা নেই কিন্তু তারপরেও সেগুলো কেন আবেদন

ফরমে রয়েছে? তাহলে কি মুক্তিযোদ্ধা ও প্রতিবন্ধী কোটা আছে? উত্তরঃ না নেই। আবেদন ফরমে মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রতিবন্ধী কোটার অপশন রাখার কারণ শুধুমাত্র বয়স (৩২ বছর) বিবেচনা করতেই রাখা হয়েছে। প্রশ্নঃ ৬০% ফলো রিটেন পাস করলে মেয়েদের জবের নিশ্চয়তা কতটুকু? কোন অর্থ কিংবা তদবির হয় কিনা? উত্তরঃ জ্বী, ৬০% ফলো করে প্রিলি পাশ করলেই

এবার মেয়েদের জব হবে এটা নিশ্চিত। বর্তমানে প্রাইমারী সহকারী শিক্ষক নিয়োগে কোন তদবির কিংবা অর্থ লেনদেন করবেন না। তদবির কিংবা অর্থের মাধ্যমে চাকরী পাওয়া সম্ভব নয়। প্রশ্নঃ জাতীয় কোটা বাতিল ছেলে প্রার্থীর জন্য স্বস্তি নাকি অস্বস্তি? উত্তরঃ নিশ্চিতভাবে সাধারণ মেধাবি ছেলেদের জন্য খারাপ খবর বটে। পূর্বে জাতীয় কোটার কারণে অনেক পদ অপূরণ থেকে

যেতো যা পরবর্তীতে সাধারণ পুলের আওতায় মেধাবিদের দিয়ে পূরণ করা হতো। কিন্তু এবার জাতীয় কোটা না থাকায় পদ শুণ্য নাও থাকতে পারে। তাই মেন্টালি ছেলেদের ২০% এর মাঝেই লড়াই করতে হবে। প্রশ্নঃ ২০১৮ সালে কোটা বাতিল পরিপত্র জারী হয়েছিলো কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কোটা বহাল রেখেই কেন ২০১৯ সালের গেজেট জারী করেছিলো? উত্তরঃ

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এটা করেনি। এটা করেছে প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্তণালয়। পলিসি তৈরী করে মন্তণালয় আর সেটা বাস্তবায়ন করে অধিদপ্তর। অধিদপ্তর চাইলেই মন্তণালয়ের নির্দেশ ব্যতিত কোন কিছুই করতে পারেনা। আর অধিদপ্তর ২০১৯ সালে যখন কোটা রেখে গেজেট প্রকাশ করে তখন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদটি ১৫ তম গ্রেডে ছিলো। কিন্তু ২০১৮ সালের

কোটা বাতিল পরিপত্রে ৯ম, ১০ম, ১১তম, ১২তম এবং ১৩ তম গ্রেডে কোটা বাতিল উল্লেখ ছিলো। বলা বাহুল্য, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারীর দিকে প্রাথমিক শিক্ষক পদটি ১৩ তম গ্রেডে অর্থ মন্তণালয়ে পাশ হয়। প্রশ্নঃ গণশিক্ষা মন্তণালয় তাদের নিয়োগ বিধি চেঞ্জ করতে পারে কিনা? উত্তরঃ জ্বী পারে। তবে তারা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদটি ১৩ তম গ্রেড করার পরেই তাদের

গেজেটে সকল কোটা বাতিল উল্লেখপূর্বক নতুন গেজেট প্রকাশ করতে পারতো। যেমনটা রেল মন্তণালয় কিছু আগে ১-১৩ গ্রেডে কোটা বাতিল করে গেজেট প্রকাশ করেছে। প্রশ্নঃ কোটার বিরুদ্ধে রিটে হাইকোর্ট কোটা বাতিলের আদেশ দিলে কি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বাতিল হবে? উত্তরঃ না, কারণ যেকোন সময় নিয়োগ বিধি পরিবর্তন কিংবা পরিমার্জনের ক্ষমতা সংরক্ষণ করে

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্তণালয়। তাই হাইকোর্টের নির্দেশে কোটা বাতিল করলেও বর্তমান বিজ্ঞপ্তি কিংবা পরীক্ষা পিছানো নিয়ে কোন জটিলতা নেই এবং এই নিয়োগেই পরিবর্তিত বিধি (কোটা বাতিল উল্লেখপূর্বক) অনুসারে নিয়োগ দিতে বাধ্য থাকবে এবং পরীক্ষা যথাসময়েই হবে (করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে)। লেখকঃ আলমগীর হোসেন

 আমাদের বিসিএস গ্রুপে যোগ দিন

আপনার মতামত লিখুন :